৪৫তম বিসিএসের স্বাস্থ্য ক্যাডারে সহকারী সার্জন পদে নিয়োগ পেয়েছেন পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার মেয়ে ডা. ইফাত জাহান মনামী। তার এ অর্জনে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।
ডা. ইফাত জাহান মনামী বাউফল পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের চন্দ্রপাড়া এলাকার বাসিন্দা আলহাজ আবু ইউসুফের বড় মেয়ে। সম্প্রতি ৪৫তম বিসিএসের স্বাস্থ্য ক্যাডারে সহকারী সার্জন পদে নিয়োগের গেজেট পেয়েছেন তিনি।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ৪৫তম বিসিএসের মাধ্যমে বিভিন্ন ক্যাডারে মোট ১ হাজার ৭০২ জনকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সুপারিশের প্রায় ১০ মাস পর এ নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। গত বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নবনিয়োগ অধিশাখা থেকে এ-সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়।
নিয়োগের আদেশ অনুযায়ী, নির্বাচিত প্রার্থীদের আগামী ১ নভেম্বরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ক্যাডার নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত কার্যালয়ে যোগদান করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যোগদান না করলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর নিয়োগ বাতিল বলে গণ্য হবে।
মনামীর এ সাফল্যে গর্বিত তার পরিবার ও এলাকাবাসী। শুভাকাঙ্ক্ষীরা আশা করছেন, নতুন কর্মজীবনে তিনি সততা, নিষ্ঠা ও মানবিকতার সঙ্গে চিকিৎসাসেবা দিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়াবেন।
মনামীর বাবা আলহাজ আবু ইউসুফ বলেন, “মেয়ের এই সাফল্যে একজন বাবা হিসেবে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। ছোটবেলা থেকেই তার স্বপ্ন ছিল চিকিৎসক হয়ে মানুষের সেবা করা। আজ ৪৫তম বিসিএসের মাধ্যমে স্বাস্থ্য ক্যাডারে সহকারী সার্জন হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় তার সেই স্বপ্ন পূরণের পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল।”
তিনি বলেন, এ অর্জনের পেছনে রয়েছে মনামীর কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায় ও পরিবারের সবার সহযোগিতা। এ জন্য মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করে মেয়ের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন তিনি।
আবু ইউসুফ আরও বলেন, মনামী যেন সততা, নিষ্ঠা ও মানবিকতার সঙ্গে চিকিৎসাসেবা দিয়ে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারে, সেটিই তার প্রত্যাশা। মেয়ে যেন শুধু পরিবারের নয়, বাউফলসহ পুরো দেশের মানুষের গর্ব হয়ে ওঠে—এমন আশাও প্রকাশ করেন তিনি।
কেকে/সাশ