শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬,
৩১ আশ্বিন ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম: ● ৮০ কোটি কর্মসংস্থানের ঘাটতি, সমাধানে বিশ্বব্যাংকের নতুন কৌশল      ● ভারতজুড়ে পতাকা মিছিলের ডাক ককরোচ জনতা পার্টির      ● মনিরুল পরিবারের ৮৩ ব্যাংক হিসাবে ১৯ কোটি টাকা, সব ফ্রিজের আদেশ      ● হাম উপসর্গে একদিনে ৪ জনের প্রাণহানি      ● মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের ঘোষণা      ● ডেঙ্গুতে আরও ১০ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯৪৩      ● আইএমএফের ঋণ পেতে শর্ত পূরণ করতে হবে: অর্থমন্ত্রী      
দেশজুড়ে
শীতের আগেই সবজির বাজারে অস্বস্তি, টমেটো ২০০ টাকা কেজি
সনৎ চক্রবর্ত্তী, ফরিদপুর
প্রকাশ: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১২ এএম আপডেট: ১৬.১০.২০২৬ ১০:১৪ এএম
ছবি: প্রতিনিধি

ছবি: প্রতিনিধি

শীতের আগমনী বার্তা শুরু হলেও ফরিদপুরের বাজারে কমেনি সবজির দাম। পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় বেশির ভাগ সবজি বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে। কোথাও কোথাও প্রতি কেজি টমেটোর দাম উঠেছে ২০০ টাকায়। পেঁয়াজ, রসুন ও কাঁচামরিচের বাড়তি দামেও নাভিশ্বাস উঠেছে ক্রেতাদের। এতে নিত্যপণ্যের বাজার সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ।

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা, মধুখালী, সালথা ও নগরকান্দাসহ বিভিন্ন উপজেলার বাজার ঘুরে জানা গেছে, ফুলকপি, ঝিঙা, লাউ, কচুমুখি ও পটোলের মতো সবজি বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি প্রায় ৮০ টাকায়। বেগুন ও কাঁকরোলের দাম ৮০ থেকে ১০০ টাকা। আগাম মুলা ও ঢ্যাঁড়সের কেজি ৬০ থেকে ৮০ টাকা এবং শিম বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১৫০ টাকায়। সবচেয়ে বেশি দাম টমেটোর, প্রতি কেজি ১৫০ থেকে ২০০ টাকা। তুলনামূলক কম দামে পেঁপে ৩০ টাকা ও মিষ্টিকুমড়া ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

সবজির পাশাপাশি মসলাজাতীয় পণ্যের দামও ক্রেতাদের ভোগাচ্ছে। বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকায়। দেশি রসুনের দাম ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা এবং আমদানি করা রসুনের দাম ১৮০ টাকা কেজি। অন্যদিকে, কাঁচামরিচের কেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকা।

মুরগির বাজারে অবশ্য কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। গত সপ্তাহের তুলনায় কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা কমে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭৫ থেকে ১৮০ টাকায়। সোনালি মুরগির দাম ৩২০ থেকে ৩৩০ টাকা কেজি। তবে ডিমের দাম কিছুটা কমলেও তা এখনো তুলনামূলক বেশি। প্রতি ডজন বাদামি ডিম ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা এবং সাদা ডিম ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

চালের বাজারেও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন নেই। মোটা চালের কেজি ৫৫ টাকা। মাঝারি মানের আটাশ ও পাইজাম চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৬৫ টাকায়। সরু চালের দাম ৭৫ থেকে ৮০ টাকা এবং মানভেদে নাজিরশাইল চালের কেজি ৮০ থেকে ৮৬ টাকা।

বিক্রেতাদের ভাষ্য, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির কারণে পরিবহন ব্যয় বেড়েছে। এর প্রভাব পড়ছে চালসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে। এদিকে, বোতলজাত সয়াবিন তেলের দামও অপরিবর্তিত রয়েছে। প্রতি লিটার তেল বিক্রি হচ্ছে ২১০ টাকায় এবং দুই লিটারের বোতল ৪১০ টাকায়।

বাজার করতে আসা ক্রেতারা বলছেন, আয় না বাড়লেও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ছে নিয়মিত। বিশেষ করে সবজি, পেঁয়াজ, রসুন ও কাঁচামরিচের বাড়তি দামে সংসারের ব্যয় সামলানো কঠিন হয়ে পড়েছে। বাজারদর নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

অন্যদিকে, বিক্রেতাদের আশা, শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়লে দাম কমতে পারে। তবে কবে নাগাদ বাজারে স্বস্তি ফিরবে, তা নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না তারা।

কেকে/সাশ


আরও সংবাদ   বিষয়:  ফরিদপুর   সবজির বাজার  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

দেশজুড়ে- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close