মাদারীপুরের শিবচরে তাইজুল ইসলাম নামে জামায়াতে ইসলামীর এক নেতার বসতঘর ভাঙচুর করে গুঁড়িয়ে দিয়েছেন বিক্ষুব্ধ স্থানীয় লোকজন।
রোববার (১ নভেম্বর) সকালে উপজেলার নিলখী ইউনিয়নের পশ্চিম চরকামারকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় কয়েকশ নারী-পুরুষ একত্র হয়ে তার বসতঘরটি ভেঙে ফেলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তাইজুল ইসলাম জামায়াতে ইসলামীর নিলখী ইউনিয়ন শাখার একজন নেতা ছিলেন। সম্প্রতি তাকে ঘিরে একটি আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। তাদের অভিযোগ, এমন ঘটনায় গ্রামের সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে।
রোববার সকাল ১০ টার দিকে বিক্ষুব্ধ কয়েকশ নারী-পুরুষ একত্র হয়ে তাইজুল ইসলামের বসতঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেন। একপর্যায়ে ঘরটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। তবে এ ঘটনায় কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
এর আগে, গত ২৭ অক্টোবর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শিবচর উপজেলা শাখার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তাইজুল ইসলামকে নিলখী ইউনিয়ন শাখার সব ধরনের সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে তার বিরুদ্ধে নৈতিকতাবিরোধী কর্মকাণ্ডসংক্রান্ত অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছিল।
এদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে থাকা নারী তার স্ত্রী বলে দাবি করেছিলেন তাইজুল ইসলাম। নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ দাবি করেন।
এ বিষয়ে শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বসতঘর ভাঙচুরের বিষয়ে তিনি এখনো অবগত নন। বিষয়টি জেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কেকে/ এমএস