ঢাকার কেরানীগঞ্জে পৃথক তিনটি স্থান থেকে তিন যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ ও নৌপুলিশ।
বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল থেকে দুপুরের মধ্যে এসব মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় পৃথক মামলা হয়েছে।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের একজন মানিক (২২)। তিনি চুনকুটিয়া হিজলতলা এলাকার বাসিন্দা এবং আমিরাবাগের একটি সিলভার কারখানার শ্রমিক ছিলেন। বুধবার তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, মঙ্গলবার বিকেলে কাজে যাওয়ার পর গভীর রাতে কারখানা থেকে ফোন করে মানিকের অসুস্থতার কথা জানানো হয়। খবর পেয়ে স্বজনেরা কারখানায় গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পেয়ে পরিবারের সন্দেহ হয়। এরপর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়।
অন্যদিকে, বুধবার দুপুরে শাক্তা ইউনিয়নের রায়েরচর এলাকা এবং বুড়িগঙ্গা নদীর পোস্তগোলা শ্মশানঘাট থেকে অজ্ঞাতপরিচয় আরও দুই যুবকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করে নৌপুলিশ।
নৌপুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া দুই যুবকের বয়স আনুমানিক ১৫ থেকে ২২ বছরের মধ্যে। পোস্তগোলা শ্মশানঘাট থেকে উদ্ধার হওয়া মরদেহটি তিন থেকে চার দিন আগের বলে ধারণা করা হচ্ছে। ওই যুবকের পরনে ছিল লাল রঙের শর্ট প্যান্ট। অন্যদিকে, আটিবাজার খাল থেকে উদ্ধার হওয়া যুবকের মরদেহটি ছিল উলঙ্গ অবস্থায়।
তিনটি মরদেহই ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এসব ঘটনায় কেরানীগঞ্জ দক্ষিণ ও কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় পৃথক মামলা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট দুই থানার কর্মকর্তারা। তাদের মধ্যে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুহুল কুদ্দুস এবং দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) মো. আজগর হোসেন রয়েছেন।
কেকে/সাশ