সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় পৃথক ঘটনায় মিম খাতুন (১৮) ও সালমা খাতুন (৩৫) নামে দুই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (৩ জুলাই) দুপুরে উপজেলার মাগুড়া বিনোদ ইউনিয়নের নাদোসৈয়দপুর খুকনিপাড়া থেকে গৃহবধূ সালমা খাতুনের এবং সকালে উপজেলার তালম ইউনিয়নের হাড়িসোনা গ্রাম থেকে মিম খাতুনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
গৃহবধূ মিম খাতুন ওই গ্রামের ইয়াসিন আলীর স্ত্রী এবং একই উপজেলার মাগুড়া বিনোদ ইউনিয়নের ঘরগ্রামের আব্দুল হাকিমের মেয়ে।
অপরদিকে, গৃহবধূ সালমা খাতুন মাগুড়া বিনোদ ইউনিয়নের নাদোসৈয়দপুর খুকনিপাড়ার আব্দুল জলিলের স্ত্রী এবং একই এলাকার চরকুশাবাড়ি গ্রামের শাহাদাত হোসেনের মেয়ে।
পুলিশ ও স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল আজিজ জানান, গত নয় মাস আগে ইয়াসিন আলীর সঙ্গে মিম খাতুনের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে তাদের দাম্পত্য জীবন ভালোই চলছিল। কিন্তু গত রাতে কোনো কারণে গৃহবধূ মিম খাতুন পরিবারের সবার অগোচরে নিজ শয়নঘরের বাঁশের ধরনার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন।
মাগুড়া বিনোদ ইউনিয়নের ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম জানান, সকালে গৃহবধূ সালমা খাতুনের সঙ্গে তাঁর স্বামী আব্দুল জলিলের ভাত রান্না নিয়ে ঝগড়াঝাঁটি হয়। পরে কাজের জন্য স্বামী বাইরে চলে গেলে সকাল আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে তিনি ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় দড়ি পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন। এদিকে বাড়ির লোকজন তাঁকে ডাকাডাকি করে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে গিয়ে ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান।
খবর পেয়ে তাড়াশ থানার ওসি (তদন্ত) মো. শাহ আলম মোল্লা সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। তিনি জানান, গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধারের প্রস্তুতি চলছে।
তাড়াশ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শিমুল প্রামানিক জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
কেকে/ এমএস