গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলে কয়েক দিনের শ্রমিক বিক্ষোভের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে।
বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল পর্যন্ত কোথাও শ্রমিক বিক্ষোভ বা সড়ক অবরোধের খবর পাওয়া যায়নি। অধিকাংশ পোশাক কারখানায় শ্রমিকেরা কাজে যোগ দিয়েছেন। শুরু হয়েছে উৎপাদন কার্যক্রমও।
বুধবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক ছিল। কয়েকটি পোশাক কারখানা বন্ধ থাকলেও অধিকাংশ কারখানায় উৎপাদন অব্যাহত রয়েছে।
শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশসহ বিভিন্ন বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ১২ প্লাটুন, শিল্প রিজার্ভ বাহিনী (এসআরবি) ৮ প্লাটুন এবং আনসারের ৫ প্লাটুন সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। সব মিলিয়ে তিন বাহিনীর ২৫ প্লাটুন সদস্য মোতায়েন রয়েছেন। তাদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ২৫ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
বুধবার সকালে গাজীপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার (মিডিয়া ও রিসার্চ সেল) মো. আরিফ হোসাইন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, গত সোমবার ২১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছিল। পরদিন মঙ্গলবার নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করে ২৫ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ১১ প্লাটুন বিজিবি দায়িত্ব পালন করে। বুধবার আরও এক প্লাটুন বাড়িয়ে বিজিবির সদস্যসংখ্যা ১২ প্লাটুন করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, শ্রমিকদের মাসিক ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে কয়েক দিন ধরে আন্দোলন চলছিল। তবে বুধবার সকাল ৯টা পর্যন্ত জেলার কোথাও শ্রমিক অসন্তোষ, বিক্ষোভ কিংবা মহাসড়ক অবরোধের ঘটনা ঘটেনি। অধিকাংশ কারখানায় শ্রমিকেরা কাজে ফেরায় শিল্পাঞ্চলে উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে।
কেকে/সাশ