বাংলাদেশে নির্মিত এই প্রথম বুদ্ধের জীবনীভিত্তিক ‘চন্দ্রপ্রভা’ টেলিফিল্মের প্রিমিয়ার শো অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমি চট্টগ্রামের গ্যালারি হলে টেলিফিল্মটির তিনটি প্রদর্শনী সম্পন্ন হয়।
টেলিফিল্মটির কাহিনি, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন শ্যামল চৌধুরী।
অমিতাভ নিবেদিত, প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘কাছেদূরে এন্টারটেইনমেন্ট’ প্রযোজিত ‘চন্দ্রপ্রভা’য় গৌতম বুদ্ধের জীবনের কিছু অংশ ও বর্তমান পারিবারিক-সামাজিক প্রেক্ষাপটে বুদ্ধের দর্শন কতোটা প্রাসঙ্গিক তা তুলে ধরা হয়েছে।
এ নিয়ে শ্যামল চৌধুরী বলেন, ‘গত এক বছর আগে এ টেলিফিল্মটি অত্যন্ত যত্ন সহকারে তৈরি করা হয়েছে। নানা সীমাবদ্ধতা ও প্রতিকূলতার মধ্যে অনেক দিনের গবেষণার ফসল ‘চন্দ্রপ্রভা’ সাধারণ দর্শকদের কাছে সমাদৃত হওয়ায় আমি উৎসাহিত হয়েছি।’
আগামীতে পৃষ্ঠপোষকতা পেলে আরেও বৃহৎ আঙ্গিকে কাজ করার ইচ্ছে আছে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
শো শেষে অভিনয়শিল্পী হেমা বড়ুয়ার সঞ্চালনায় দর্শকদের মধ্যে অভিমত প্রকাশ করেন কর্পোরেট ব্যক্তিত্ব শোভিত বিকাশ বড়ুয়া, অধ্যক্ষ তুষার কান্তি বড়ুয়া, সংগীতশিল্পী বিপুল কান্তি বড়ুয়া, নাট্যজন সুমন টিংকু, বেতার প্রযোজক শুভাশীষ বড়ুয়া, নাট্যজন জুবায়ের আহমেদ, নাট্যপরিচালক মহসিন চৌধুরী, আলোকচিত্রী অনুজ কুমার বড়ুয়া, লায়ন ধনঞ্জয় বড়ুয়া রুবেল, ডা. শর্মিলা বড়ুয়া, বাচিকশিল্পী সুপ্রিয় কুমার বড়ুয়া প্রমুখ
‘চন্দ্রপ্রভা’ সম্পূর্ণ চট্টগ্রাম শহর ও পটিয়ার মনোরম লোকেশনে চিত্রায়ন করা হয়। এতে ৩৫ জন অভিনয়শিল্পী অংশগ্রহণ করেছেন। আবহ সঙ্গীত করেছেন বিপ্লব বড়ুয়া, চিত্রগ্রাহক ও আলোক নির্দেশনায় ছিলেন চিন্ময় চৌধুরী তাপস এবং রঙ বিন্যাস, সম্পাদনা করেছেন প্রামান্য সুমন।
সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন স্বীকৃতি প্রসাদ বড়ুয়া, সহকারী পরিচালক ছিলেন বড়ুয়া সীমান্ত।
কেকে/এমএ